ধর্ম ও সমাজসেবা রাজনীতি রাজ্য

মানুষকে পাঁচন দেওয়ার আগে নিজে বাঁচুন অনুব্রত! : বিজেপির জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল

সব্যসাচী মুখার্জি, নজরে বাংলা, তারাপীঠ (বীরভূম) : অনুব্রতর চোখে চোখ রেখে আন্দোলনের ডাক দিলেন বিজেপির নবনিযুক্ত বীরভূম জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল। গত বুধবার কলকাতা থেকে জেলায় ফেরেন তিনি। কয়েকশো কর্মী সমর্থকের মোটরবাইক মিছিল তাঁকে পৌঁছে দেয় তারাপীঠে। মা তাঁরার পুজো দিয়ে অনুব্রত মণ্ডলের পাচনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দেন তিনি।

দায়িত্ব নিয়েই এদিন তিনি সাঁইথিয়া নন্দিকেশরী মন্দিরে পুজো দিয়ে দুপুরের দিকে কয়েকশো কর্মী নিয়ে হাজির হন তারাপীঠে। সঙ্গে ছিলেন রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তন বসু, জেলা সহ সভাপতি শুভাশিস চৌধুরি, নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্দিরে শ্যামাপদবাবুর হাতে পুস্পস্তবক তুলে দিয়ে স্বাগত জানান বিজেপির  প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের পাঁচ পুরোহিতের মধ্যে অন্যতম পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়।

মন্দির থেকে বেরিয়ে নতুন সভাপতি শ্যামাপদবাবু বলেন, “গত আট বছরে দিদির রাজত্বে এই জেলার মানুষ বঞ্চিত, নিপীড়িত ও অত্যাচারিত। মানুষকে সেই অত্যাচার থেকে মুক্তি দিতে মায়ের কাছে আর্শিবাদ চাইলাম। এই জেলায় শাসকদলের নেতৃত্ব মানুষের কন্ঠরোধ করে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। সেই গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাই”। অনুব্রত মণ্ডলের পাচন তত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমিও কৃষক বাড়ির ছেলে। নিজে চাষ করেছি। পাচনের কাজ আমি জানি। উনিও চাষার ছেলে। কিন্তু আমার মনে হয়, বর্তমানে ওঁনার পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে মানুষকে লুট করা, ধাপ্পা দেওয়া, টাকা আদায় করা। পাচনের সদব্যবহার করতে আমি বীরভূম জেলার দায়িত্ব নিয়েছি। সঠিক সময়, সঠিক জায়গায় সেই পাচন প্রয়োগ হবে। সেটার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। উনি যতই হুংকার ছাড়ুন না কেন মানুষ ভয় পায় না। সেটা লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলেই স্পষ্ট। ওই দাপুটে রাবণ মার্কা নেতাদের দিন শেষ। মানুষকে পাচন দেওয়ার আগে উনি কোথায় থাকবেন, বাঁচবেন – সেটা চিন্তা করুন”।

NB

Leave a Reply