ক্রাইম রাজ্য

শান্তিপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে মদ্যপ যুবকের রাগ উজার ১০টি দোকানে

 

মলয় দে, নজরে বাংলা, শান্তিপুর (নদীয়া) : বচসা থেকে হাতের কাছে পাওয়া মাছ বটি দিয়ে উজার। তাতেও ক্ষান্ত নয় সে। শেষে রাগ গিয়ে পড়ল যাকে মারা হয়েছে তাঁর বাবা ও মেয়েকে। নদীয়ার শান্তিপুরে বাগান এলাকার নীলমণি বাজারে আজ দুপুর দুটো নাগাদ প্রায় দশটি দোকান ভাঙচুর এক মাছ বিক্রেতা নাটু মল্লিককে মারধর করে এলাকারই কালু সরকার। এর আগেও কালুর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আছে এলাকার মানুষের। আহত নাটু মল্লিক জানান, মাছের দাম না দিতে চাইলে বচসা বাধে কালুর সাথে, হাতাহাতি হয় প্রথমে। হঠাৎই পাশের মাছ বিক্রেতার আঁশ বটি খুলে নিয়ে আঘাত করে নাটুবাবুর মাথায়। সাথে হুমকি দেয় থানা পুলিশ করলে বোমা মেরে দোকান পুড়িয়ে দেবে। বোমা মেরে মার্কেট উড়িয়ে দেবে। আগুন ধরিয়ে দিয়ে ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেবে।

নীলমণি মার্কেট সভাপতি দিলীপ সরকার অন্য সকল দোকানদারদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে শান্তিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। ঠিক এরই ফাঁকে সংবাদ যায় কালুর কাছে, সে নাটুবাবুর পিতা খগেন মল্লিক, মেয়ে লক্ষ্মী মল্লিককে বাড়ি গিয়ে মারধর করে। এবং মার্কেটের ১০টি দোকানে বটির কোপ মেরে ভাঙে শোকেস, আসবাবপত্র, দোকানের শাটার। তছনছ করে দোকানের মালপত্র। মাছ ব্যবসায়ী চিত্র হালদার ও কচুরির দোকান সুনন্দ সরকার শিশির দাস কসমেটিকসের দোকান স্বপন সরকার মনোহারী দোকান স্টেশনারি দোকান রাজা তথ্য মোবাইল দোকান অমিত দত্ত বস্ত্র ব্যবসায়ী –প্রত্যেকের দোকানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা, অবশেষে সকলে সিদ্ধান্ত নেন পথ অবরোধ, বিক্ষোভ প্রদর্শন। বসে পড়েন ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর। দীর্ঘ এক ঘন্টা ধরে চলে অবরোধ। অবশেষে পিসিও অফিসার মান উল সাহেব-এর হস্তক্ষেপে উঠে যায় অবরোধ। দোকানদারদের দেওয়া কথা রাখতে ৭ জন সিভিক পোস্টিং করা হয় মার্কেটে। এখনো পর্যন্ত কালু গ্রেপ্তার না হলেও তার ঘনিষ্ঠ ভাদু নামে একজনকে অ্যারেস্ট করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। পুলিশ কালু সরকারের খোঁজে এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে। কিন্তুুু এলাকার মানুষের ক্ষোভ,

NB

Leave a Reply