রাজনীতি রাজ্য

বীরভূমে থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে যাওয়ার পথে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

সব্যসাচী মুখার্জি, নজরে বাংলা, রামপুরহাট (বীরভূম) : থানা ঘেরাও কর্মসূচীতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে আক্রন্ত হলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের কাঁকড়তলা থানার ঢিল ছোঁড়া দুরত্বে গ্রাম ঢোকার মুখে।

জানা গিয়েছে, সোমবার বীরভূম জেলার ২৪টি থানাতেই বিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচী ছিল। দলীয় কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, শাসক দলের পক্ষ নিয়ে কাজ করা সহ একধিক অভিযোগ নিয়ে এদিন থানায় থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করে বিজেপি। সেই কর্মসূচীতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন রসা গ্রামের বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। একটি গাড়িতে চড়ে শ্লোগান দিতে দিতে যাচ্ছিলেন। বিনোদপুর – কাঁকড়তলা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। কাঁকড়তলা থানা ঢোকার মুখে কয়েকজন যুবক আচমকা বিজেপির গাড়িতে হামলা চালায়। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। মারধর করা হয় বিজেপি কর্মীদের। তাদের মধ্যে সাবলু ডোমের মাথার আঘাত গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। বাকিদের নাকরাকোন্দা প্রাথমিক স্বাস্থকেন্দ্রে চিকিৎসা করানো হয়েছে।

এদিকে এই ঘটনার পর উত্তেজিত বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। রাস্তা অবরোধ করেন। তিনঘণ্টা ধরে অবরোধ চলার পর পুলিশি আশ্বাসে অবরোধ উঠে যায়। বিজেপির জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল বলেন, “বিজেপির প্রস্তাবিত কর্মসূচীতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে তৃণমূল বাধা দিচ্ছে। পুলিশকে আগাম জানানো সত্ত্বেও কোন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেনি পুলিশ। আমরা ২৪ ঘণ্টা দেখব। যদি পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করে তাহলে আমরা পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখা ঠিক করব”। একইভাবে রামপুরহাট, নলহাটি, মাড়্গ্রাম সহ সমস্ত থানায় বিক্ষোভ দেখানো হয়। রামপুরহাটে মিথ্যা মামলায় চার জনকে জেলে পাঠানোর বিরোধিতা করা হয়। বিজেপির অভিযোগ, কয়েকজন উপভোক্তা নিম্নমানের কাজ নিয়ে ১৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুকান্ত সরকারের বাড়িতে অভিযোগ জানাতে যায়। ওই কাউন্সিলর তাদের মিথ্যা মামলায় জেলা পাঠানো হয়।

NB

Leave a Reply