বিনোদন সিনেমা

গতানুগতিকতার বাইরে গিয়ে পার্থসারথী জোয়ারদারের ২০তম ছবি “অপহরণ”

স্বপন কুমার দাস

বর্তমানের ধারা থেকে বেরিয়ে গিয়ে একটু অন্য স্বাদের ছবি করতে দুঃসাহসিকতা দেখাতে পারেন বাংলা চলচ্চিত্র জগতের আর কে-ই হতে পারেন? নয় নয় করে ১৯টি ছবি করে ফেলেছেন তিনি। পার্থসারথী জোয়ারদার তাঁর ২০তম ছবি “অপহরণ” করতে গিয়ে তাই চিন্তাভাবনা শুরু করলেন গতানুগতিকতার বাইরে যাওয়ার। সঙ্গে পেয়ে গেছেন মুর্শিদাবাদের শবনম সহ এক ঝাঁক তারকাকে।

বর্তমান সময়ের ঘটনাপ্রবাহ নিয়েই গল্প। দিনদুপুরে শহর থেকে বেপাত্তা হয়ে যায় তিন তিনটি মেয়ে– তনুশ্রী (শবনম), জিনিয়া (সুদীপ্তা চক্রবর্তী), রাইমা (রূপসা মুখার্জি)। কোনওভাবেই পুলিশ তাদের কুলকিনারা করতে পারে না। শিল্পপতি আশুতোষ সেনগুপ্তের (কৃষ্ণ কিশোর) মেয়ে, এমএলএ সুনীল ঘোষের (রাজেশ শর্মা) মেয়ে এবং একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক তনুশ্রীকে নিয়েই গল্পটি আবর্তিত হতে থাকে। এই তিনজন মেয়ে যারা অপহৃত হয়ে জঙ্গলে এসে হাজির হয়। অপহরণকারীরা তাদের হাত-পা বেঁধে তাবুতে রেখে দেয়। মৃত্যু অনিবার্য জেনে তারা পালাবার চেষ্টা করে। কিন্তু সাংবাদিক তনুশ্রী পালাতে গিয়ে আবিষ্কার করে অন্য কাহিনী। অন্য পাঁচজন অপরাধীর থেকে এদের চিন্তাভাবনা, উদ্দেশ্য রয়েছে মহৎ। আইনের চোখে এরা অপরাধী। মেয়েরা জানতে পারে তাদের ধরে আনার কারণ। জানতে পারে মুখোশের আড়ালে কত শয়তান সাধু সেজে ঘুরে বেড়ায় চারিদিকে। আইন এদের কাছে অন্ধ। মেয়েরা কি ফিরে আসবে বাড়িতে? অপরাধীরা কি ধরা পড়বে? অপরাধীরা কি সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসবে? এই সব কিছু জানা যাবে ছবিটি মুক্তির পর। এমএফএস প্রোডাকশন নিবেদিত, পার্থসারথি জোয়ারদার পরিচালিত এই ছবির শুভ মহরত হয়ে গেল সম্প্রতি কলকাতার এক বেসরকারি হোটেলে। 
কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা- পার্থসারথী জোয়ারদার। ছবির অন্যান্য চরিত্রে আছেন পিটার (সাহেব ভট্টাচার্য), চাচা (সুপ্রিয় দত্ত), অনিমেষ (স্বর্ণ শিখর), ময়না (অরুন্ধতী চক্রবর্তী) ও অন্যান্যরা। মুখ্য সহকারি পরিচালক- অন্নপূর্ণা হালদার, ডিওপি – সিদ্ধার্থ দে, কালারিস্ট – এম মলয়, গীতিকার – গৌতম সুস্মিত, সংগীত – সঞ্চয়িতা, ঋক।

NB

Leave a Reply